Pages

Showing posts with label SPORTS TimeLine. Show all posts
Showing posts with label SPORTS TimeLine. Show all posts

সর্বকালের সেরা অধিনায়কের তালিকায় ৪র্থ মাশরাফি, ধোনি ১৫-তে !


                                পরিংখ্যানটা কেবলই এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের। যেখানে সর্বকালের সেরা সব অধিনায়কদের পেছনে ফেলে টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিণ মর্তুজা রয়েছেন ৪র্থ স্থানে। একটু অবাকই হলেন তাই না? স্টিভ ওয়াহ, গ্রায়েম স্মিথ, মাইকলে ক্লার্করাও যে তার পেছনে পরে আছেন। অার ভারতীয় ক্রিকেটের জাদুকর কাপ্তান ধোনির  অবস্থান যে সেই ১৫ তম স্থানে। সেখানে মাশরাফি কিভাবে ৪র্থ স্থানে এলেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। রেকর্ড পরিসংখ্যান কখনও মিথ্যে কথা বলে না।
দেশের মাটিতে টানা ৫ টি সিরিজ জিতেই এই উত্থান মাশরাফির।
ক্যারিয়ারে বল হাতে যেমন সফল ছিলেন, তেমনি দলের নেতৃত্বেও শতভাগ সফল। তাই যদি না হতো! বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব, তামিম ও মুশফিকের মতো ক্রিকেটার থাকতে বিসিবি কেন মাশরাফির ঘাড়ে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব তুলে দেবে? ২০১৪ সালে টিম বাংলাদেশ যখন ধারাবহিক ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করে খাদের কিনারায়, ঠিক তখনই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি দলের দায়িত্ব তুলে দিলেন দেশসেরা পেসার মাশরাফির হাতে। ৩১ বছর বয়সে ফের জাতীয় দলের দায়িত্ব হাতে পেয়ে টিম বাংলাদেশকে ফেরালেন স্বরূপে। রঙিন পোষাকে দলকে রঙিন করে নিজেও জ্বলে উঠলেন তরুণ রূপে। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ টানা ৫ টি সিরিজ নিজের করে নিয়েছে। যা কিনা বাংলাদেশের জন্য বিরাট অর্জন। তার এই অধিনায়কত্বের জন্য এখন সে সেরাদের তালিকায় চলে গেছে।
রিকি পন্টিং, স্টিভেন ফ্লেমিং তারা সেরা হলেও তারা যতগুলা ওয়ানডে ম্যাচে অধিনায়কের ভূমিকায় ছিলেন ততগুলো ম্যাচও বাংলাদেশের টপলিস্টের ক্রিকেটারেরা খেলেনি। পন্টিং ২৩০, ফ্লেমিং ২১৮ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তবে গড়ের দিক থেকে ৪ নম্বরে রয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজা। ওয়ানডেতে মাশরাফি বিন মর্তুজা ২৮ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ২০টি ম্যাচে জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন। যার শতকরা হিসাব হলো ৭১.৪২%। তার অধিনায়কত্বে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌছেছে। ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে নাস্তানাবুদ ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে সিরিজ জয় করেছে। তার দল পরিচালনা দেখে অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞই বিশ্বের সেরা অধিনায়কের সাথে তুলনা করছে। আর তাদের সাথে তুলনা করবেই না কেন? পরিসংখ্যানের দিকে তাকিয়েই দেখুন একবার।

এক নজরে ম্যাচ-শতকার সাফল্য হিসেবে সেরা অধিনায়কদের পরিসংখ্যান :
১. ক্লাইভ লয়েড: ম্যাচ ৮৪, জয় ৬৪, পরাজয় ১৮, জয় শতকরা ৭৭.৭১%
২. রিকি পন্টিং: ম্যাচ ২৩০, জয় ১৬৫, পরাজয় ৫১, জয় শতকরা ৭৬.১৪%
৩. হ্যান্সি ক্রুনিয়ে: ম্যাচ ১৩৮, জয় ৯৯, পরাজয় ৩৫, জয় শতকরা ৭৩.৭০%
৪. মাশরাফি বিন মর্তুজা: ম্যাচ ২৮, জয় ২০, পরাজয় ৮, জয় শতকরা ৭১.৪২%

৫. মাইকেল ক্লার্ক: ম্যাচ ৭৪, জয় ৫০, পরাজয় ২১, জয় শতকরা ৭০.৪২!
৬. স্টিভ ওয়াহ ৬৫.২৩%,  
৭. স্যার ভিভ রিচার্ডস ৬৫.০৪%,  
৮. গ্রায়েম স্মিথ ৬৪.২৩%,
৯. শন পোলক ৬৪.০৬%,  
১০. ওয়াকার ইউনুস ৬১.৬৬%,  
১১. ওয়াশিম আকরাম ৬১.৪৬%,
১২. ইনজামাম উল হক ৬১.৪৬%,  
১৩. এ্যালান বোর্ডার ৬১.৪২%, 
১৪. এবি ডি ভিলিয়ার্স ৬০.৯৫%,

১৫. মাহেন্দ্র সিং ধোনি ৬০.০০%,  

১৬. মাহেলা জয়বর্ধন ৫৯.৬০%।